skip to main |
skip to sidebar
"লাবণ্যের প্রান্তর ঘিরে নির্লোভ রাত্রি জেগে আছে। ফেনায় দুলছে স্বপ্নতরঙ্গ, সুদূর আচ্ছন্নতায় ডোবা, শীতল নিঃশ্বাসে ছেয়ে আছে চারদিকটা, গুচ্ছ আকাশ মায়াবী আলোয় আঁকা। ঝরাপাতার মতো সময়, কুয়াশায় হিম বিষণ্ণতায়, দিগন্তে ঝুঁকে আছে। অজানা গল্পের সন্ধ্যায়, সূর্য হেঁটে চলেছে, গোধূলির দিকে, আমিও চলেছি তার সাথে। নিরব আতশবাজীর মতো সন্ধ্যাতারা, সাদা রুমালের মতো চাঁদে ঢাকা মেঘ সাজিয়েছে, প্রকৃতির মৌন কাফেলা। যাদুর কার্পেট বিছিয়ে, হাওয়ার আলোয়, আকাশ-মেঘের মানচিত্র দেখে চলেছি। অজস্র আলোর মাঝেও চোখে ভরে আছে, সন্ধ্যার চিরচেনা, গ্রামীণতা। সন্ধ্যার সবুজ গাঢ় হয়ে ঝুলে থাকে অন্ধকারে। পাখি নিয়ে আসে ভোরের বাতাস। নদী তার জলজ হাঁসি ছড়িয়ে চলে, ভোরের পৃথিবীতে। এখানে উদাস হয়ে থাকে নির্বিঘ্ন সকাল। ব্যাকস্যুটে লিখে রাখা কবিতায়, ফুলের নিয়মে বাতাস শিখে নিয়েছে, তীব্র ঝড়ে ডানার কাঁপনে মেঘেদের সরিয়ে দেওয়া। পাঁজরবিহীন সূর্যাহত সভ্যতায়, বেড়ে উঠেছি, সময়ের সমান্তরালে। কাল-অকালের বৃষ্টিছন্দ মাড়ীয়ে, মাটির প্রচ্ছদে এঁকে চলেছি, জীবনের প্রতিচ্ছবি। কবি হলে লিখে ফেলতাম, বিরহের কবিতায় জড়ানো, জীবনের জলকলা, বন্দনার দগ্ধ বিধুরতা, ছাদহীন, চাঁদহীন, শৈশবের পথধরে গড়ে ওঠা, আনন্দের উত্থ্যান। কালের কলতানে হারিয়ে গেছে যে গান, তার স্বরলিপিতে বেঁধে চলেছি, সকরুণ সূর। অনেকটা বাবুই পাখির মতোই জেগে উঠেছি, এই শতাব্দীর প্রথম প্রহরে। বৃষ্টি হাতে ভেজা বকুলের ডালা নিয়ে স্বাগত জানিয়েছি, আরেকটি জন্ম বরণ। প্রেম, উৎসবের আনন্দে, পেয়ে গেছি, মনের মানচিত্র। শিল্পচিত্রে আমি খুঁজে চলেছি, আরেকটি ঝড়ের পরের নবীন তান্ডবের মুখ। তোমার কন্ঠে পরিয়ে দিয়েছি, বাদল দিনের বার্তা বাহক, সিক্ত অপরাজিতার মালা, কামিনীর গন্ধে সতেজ হয়ে উঠেছে শীতলক্ষা নদী। জ্বলকণাদের নিয়ে পরিযায়ী মেঘ ভেঁসে এসে আমার গাল বেয়ে ঝরে চলেছে, বৃষ্টির ফোঁটা হয়ে।"----"ধূসর সীমান্ত"
Read more »
"ভেতরের না-বলা কথাদের নিয়ে ভেঁসে চলেছি অষ্টাদশী চন্দ্রজলে। মাঘী-জ্যোৎস্নায়, কেঁদে ফিরেছি, নীল রঙের শূন্যতা নিয়ে। কদম ফুলের আবেশ জড়ানো মৌহে ছেড়েছি ঘর। পথে-পথে ঘুরে, এসেছি প্রান্ত বেলায়, সঞ্চয় করেছি, ভাঙা মনের, টুকরো টুকরো অবসাদ। তবুও হয়নি জানা, তোমার শরীরের অপার্থিব মায়াছল। ভেতরটায় না-বলা অনুভূতি নিয়ে, জ্বলে চলেছি, রণদীপে বেঁধেছি প্রাণ। হৃদয়ে জমে থাকা দুঃখরাগ, ঝরে গেছে, সপ্তসুর থেকে। হারিয়ে যাওয়া বিমূর্ত স্মৃতিতে, কাজলের মায়াছলে অংকিত হবে, আমার সমাধির কালো ছক। নীল কষ্টেরা, ওপারের আকাশে নিয়ে যাবে, মৃত্যুবতী অচীন মৃত্তিকায়। কোনোদিনও জানবে না, আমার মনের তৃতীয় মৃত্যুর কথা। জীবনের পতনযাত্রায়, জ্যোৎস্নাধোয়া জল গরাতে থাকে, দারুচিনি দ্বীপের কান্নায়। ডাহুকের ডানা ছুঁয়ে রাত্রি নামে। নিঃশ্বাসের নদীতে জ্যোৎস্নাবতী রাত, ডুবসাঁতার খেলে। শিরোনামহীন অজস্র কবিতার পংক্তি, বৃন্ত থেকে খসে পড়েছে। আমি সেই রাত্রি চেয়েছি, যে রাত্রি, সব কলমের কালি চুষে, তার রহস্য ছড়াবে, পাথর অন্ধকারে। রাতজাগা এচোখে অন্তহীন তৃষ্ণা মেটাবে। রাস্তার ল্যাম্পপোস্ট গুলোকে, একনিঃশ্বাসে নিভীয়ে দেবে। হিজল বন, শতাব্দীর বিচ্ছেদ ভুলে, হাতে তুলে দেবে, আজন্মের অমৃত সুধা। অস্থিরতা গুলো, আরো একবার ভেঁসে যাবে, আকাশ-সমুদ্রের মিলন স্রোতে। সময় চলে গেছে ভাটিয়ালী দ্বীপে, যেখানে মুখ গুজে পড়ে থাকে, মৃত ঝিনুকের কষ্টেরা। স্বপ্নের শ্বেতকরবী ঝরেযায়, মহাশূন্যের পথ ধরে। ডানাভাঙা মনফড়িং, আশ্রয় খুঁজে চলে, গলতে থাকা নগ্ন পাথরে। স্বপ্নের রঙে, ভাঁসে যাবো, নিশিজোয়ারে। শতাব্দীর মাঝরাতে ঘুম ভেঙে দেখি, মনের চোরাবালিতে, এখনও সাঁতার শেখা হয়নি"----"ধূসর সীমান্ত".
Read more »
"নিজের সীমানা জেনেছি, তবুও খুব ইচ্ছে করে সীমানার প্রাচীরটাকে অতিক্রমের। এখানে পড়ে আছে, সোনালী ফসলের ছোঁয়ায় দোল খাওয়া অবিন্যস্ত কুয়াশার প্রান্তর। মনপাখি' তোমার শরীরে ঢেঁউ তুলে ভেঁসে যাবার পথে, একটু সময় জিরিয়ে নিও। প্রতিদিন সন্ধ্যাবেলা, দখিণা বাতাসে ভেঁসে আসে, তোমার শরীরের ঘ্রাণ। চুল বেয়ে নেমে আসা জোৎছনা ও কুয়াশার মসৃণ রেশম ছোঁয়া, হাতে মেখে নিতে-নিতে, হারিয়ে যায় সৃতিগন্ধি রোদে। দূরের উড়ে যাওয়া বর্ষামেঘে, বিষণ্ণ কুয়াশারা হারিয়ে যাবে, তোমার জলভরা চোখে। 'ধূসর সীমান্ত' আমি, ধূসরতায় বেঁধেছি নীল কাব্য আমার। ব্যাথার স্পর্শে, না-বলা অনুভূতিদের সাথে নিয়ে, স্বপ্নের রঙ-তুলিতে এঁকে চলেছি বিমর্ষ বিকেল আমার। সন্ধ্যার কুয়াশা, চাদরের মতো শহরটাকে জড়িয়ে রেখেছে। গাছের ডালে ডালে লেগে আছে, ছেঁড়া ছেঁড়া মেঘ। সুর্যটা উঁকি মেরে চলেছে, ডাল আর পাতার ফাঁক দিয়ে। সেই আলো-ছায়া গুলো কুয়াশায় মিশে, অপার্থিব অনুভূতি ছড়িয়ে রেখেছে। একসময় আলো-ছায়া ভেদ করে নেমে আসে অস্থিরতা। বার-বার ফিরে আসি নিজের কাছে, নিজেরই তৈরী শব্দের প্রতি মুগ্ধ হতে। উড়ে যাবার শখ ছিলো একটা সময়। আমার পিঠে গজানো ডানার পালকে, ধুসরতার ছোঁয়া লেগে আছে। হয়তো কিছু দিনের ভেতর মরে যাবে, সবুজ পালক ডানার মন আমার। সেখানে জমে উঠবে মৃত ঘাঁসেরা। একঝাঁক পাখি মরে গিয়েছে, পার করতে থাকা সময় জুড়ে। তাদের কবিতায় ভুল পালকের ছন্দে আঁকা হয়ে চলেছে, প্রতিটা সেকেন্ড, মিনিট, ঘন্টা, ও প্রহর। কষ্টের মুহূর্ত গুলোকে উপভোগ করতে শিখে গেছি। লেখার ইচ্ছে ছিলোনা কখনোই, তবুও এলোমেলো ভাবে লিখে চলেছি, ভেতরের অবিন্যস্ত অনুভুতি গুলো, দিনশেষে, নিজেকেই বোঝার আশায়।"-----"ধূসর সীমান্ত"
Read more »
"আমার ব্যস্ততা ক্রমশ শেষ হয়ে আসছে, বাড়ন্ত দুপুরে ঘেরা গল্প গুলো ফিকে হয়ে গেছে। সকালের পাখিরা, ডেকে, ডেকে ফিরে গেছে, বেলা শেষে, পড়ে থাকা বিচ্ছিন্নতাগুলো, চমৎকার ডানা মেলে, কুড়িয়ে নিয়ে গেছে, পরিযায়ী পাখীর দল। যানযটে, শুয়ে আছে, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সভ্যতা, উন্নয়ন বৃক্ষ কেটে গোড়াটি রেখে গেছে, কোন এক সাহসী বনদস্যু। পার্কের মলীন ঘাঁসে আকাশের দিকে তাকিয়ে শুয়ে আছে, প্রতিভাবান ব্যর্থতার সুখ। স্বপ্নের বিমর্ষতা আজ, পড়ে আছে। প্রতিদিন হৃদয় ভাংতি করে, খরচ করে চলেছি ভালবাসা, তবুও আমি দরদাম করে চলেছি, তোমার অস্তিত্তের। বাতাসের গোয়ার্তুমি দেখে, আসন্ন সন্ধ্যায় লাল হয়ে গেছে, মুখটা তোমার, যা দেখে মূর্খ হৃদপিণ্ড আমার, হঠাৎ স্থির হয়ে গেছে। আগুনের কাছে উষ্ণতা চেয়েছি, পালকের নিচে যেই উষ্ণতা 'মা 'পাখিটা লুকিয়ে রাখে। আমার আকাশ আজ, ঝুলে আছে, বুকে নীল বেদনা নিয়ে। এখানে গাছেরা, পাতারা, ফুলেরা, প্রজাপতি ও পাখিরা, দিনরাত আমাকে জড়িয়ে রাখে। তাই আজ আমি, ধারণ করেছি, যৌবনের গোপন স্ফুলিঙ্গে অস্তিত্বের অবেশ। তোমার ভালোবাসার শক্তি আজ, ন্যানো হয়ে থেকে গেছে, ব্যাস্ত শহরের ধনী-বাড়ীর ড্রয়িং রুমের শো-কেসে। আমিও তোমার কফি'মগে' ডুবন্ত মাছি হয়ে, ভালোবাসায় গুনগুন করেছি, তোমার ঠোঁটে, কানে,অন্তরাত্মার দেয়ালে। এই করুণ সত্যকে, ফেসবুক স্ট্যাটাসে দিয়ে, লাইক বাড়িয়েছো, আর্থ-সামাজিক, নাগরিক তত্ত্বে, প্রেমকে তুলেছো শেয়ার বাজারে। অথচ, মহাকালের দেয়ালে তোমাকে আঁকার জন্য দাঁড়িয়ে আছি, নগর-নষ্টামীর বাইরের প্রাকৃতিক অরণ্যে। এখানে একটি জোনাক পোকাও স্বীকার করে না, নগরশ্রেষ্ঠত্ব। তোমার আদিম প্রকৃতি, প্রতিদিন আমাকে শিখিয়ে চলেছে, ভালোবাসা। দিগন্তের কাছে, চিৎকার করে বলেছি ‘ভালোবাসি’। তোমার কাছে ফিরে এসে ছুঁইয়ে যাবো, ভালো লাগার প্রসস্থ হাত। তৃষ্ণার্ত পাখি হয়ে, এক নদী জল দিয়ে, রাঙিয়ে চলেছি, নিজেরই প্রসস্থ ডানা।"----ধূসর সীমান্ত"
Read more »
"অপরিচিত অচেনা এক মুখের জন্যে আজীবন প্রতিক্ষা আমার। অজানায় যার বাস। তার কাছে থেকে অনিয়মিত, ভেঁসে আসে সন্ধ্যাবাতাস, কখনও সমর্থন, কখনও আনুগত্য, কখনও বা মৃদু অভিভাবকত্ব, কখনও রৌদ্রজ্জল দিগন্তবিস্তৃত ঔপনিবেশিকতা। কিছু কথারা গান হয়ে, ভেঁসে আসে। সুরশলাকার মৃদু কাঁপনে, বেজে ওঠে বাতাসের সূরকল্লোল। মিহি তরঙ্গ তুলে ভেঁসে যায়, দূরের কোনও শহরে। নদীর কিনারে, মোড়ানো বাঁকে এসে রূপকথার মতো থেমে যাই, তোমার অধীনে, অধিগ্রহণে আর শাসনের নীচে। জানি, একদিন আমাকেও ধীরে ধীরে টেনে নেবে। তোমার অভীবাদনের ছায়া দিয়ে পুরোপুরি ঢেঁকে দেবে, হাওয়া লাগা এই শরীরটা আমার। অচেনা শিহরণ তুলে সন্ধ্যার বার্তা পাঠিয়েছো, অদেখা, অজানা এই আমাকে, জড়িয়ে ফেলছো অচেনা স্মারকে। আমার কেউ নেই পৃথিবীতে, তাই অমান্য করি, প্রকাশ্যে ভেদরেখা, তাই তোমাকেই করে ফেলেছি আত্মীয়। খুব অনুগত আর দ্রবীভূত থাকুক একটি দিন, আমার এই রচনায়। তোমার আমার সরল সূত্রে, সহজ বাক্য গুলি চাপা পড়ে আছে নিস্তারহীন তথ্যজটের নিচে। কালের সন্ত্রাসের প্রভাবে, উবে যাবো একদিন ধীরে সন্ধ্যানদীতীরে, রঙিন মেঘেদের হিমাচলে। প্রতিদিন ভোরের পাখি হয়ে, বার্তা ছড়িয়ে চলেছি আমাদের যোগাযোগে"----"ধূসর সীমান্ত"
Read more »
"অনেক কাল ধরে নিজেকে অন্ধ ভাবি। নিঃশব্দের আড়ালে, ভেতরের জমে থাকা অনুচ্চারিত শব্দ দিয়ে, তোমার জন্যে লিখে চলেছি, আমার না-বলা-কথা গুলো। ইদানীং আমি হাওয়া হয়ে ভেঁসে বেড়াই, অনুভুতিকে ছুঁইয়ে। বৃষ্টির শীতলতায়, নিজেকে ভিজিয়ে ফেলি। এখন আমি অবলীলায় প্রত্যাখ্যান করি, তোমার নিবেদিত প্রেম কে। এখানে ভোর রাত্রে, কুয়াশার কোল চিরে, হুইসেলের শব্দে ট্রেন থামে। ভিঁড় নেই যাত্রীদলে, নিঃশ্বাসের শব্দে স্বপ্নকে পুড়িয়ে, দূরের ছায়ায় ঘাঁস ছিঁড়ে, বিবর্ণ জোনাকিরা ঘুমিয়ে পড়ে। ভোরের শরীরে আজ ভৈরবী স্বপ্ন, সপ্তবন্ধ গানের কারুকার্যে, মাতাল আমি। বুকের গভীরে, নীল সমুদ্র ডেকে চলেছে অবিরত। সময়ের স্রোতে বৃত্ত-বন্দী আমি, সভ্যতার সমবয়সী গোলক ধাঁধায়। আমিও সেই সময়কে পাশকাটিয়ে হতে চলেছি অমর। এখন আমি, ক্ষমাহীন, ক্ষয়হীন, বিরতিহীন। শুধু মুখোশ বদলে, শতাব্দীর বিশৃঙ্খলা ভেঙে, ফিরে আসি। শান্ত সময়, জড়িয়ে রেখেছে আমার মমিকৃত মুখ, তোমার চিরলাল ঠোঁটে। কিছুই নেই এখানে, শুধু শূন্যতা, স্থির হয়ে আছে। বাঁধানো ঘাটের টানে, অস্থির মনের ছায়ায়, ঝরে গেছে দিন আমার। সন্ধ্যা জ্বেলেছি ধীরে, সবুজ ঘ্রাণে, লোকালয়, আঁধার অস্বীকার করে, বাঁধের ভাঙনে। দিনলিপি জুড়ে শুধু পড়ে আছে, ঝরা পাতার হাহাকার। অজস্র স্মৃতি বুকে নিয়ে তোমার অপেক্ষায় থাকি, শূন্যতার পৃথিবীতে"----"ধূসর সীমান্ত"
Read more »
"আজ শহরের নির্জন রাস্তায় হেঁটে চলেছে আমার সব ভুল গুলো। মনের অন্তর্বাস ছুঁইয়ে আছে, জমে থাকা চোখের জলে, প্রতিটি অঙ্গে আজ শুধু অপেক্ষা। জানি, সব শেষ হয়ে গেছে, জীবনের নিরর্থকতা প্রেমহীন তহবিলে গচ্ছিত রেখেছি সব স্মৃতি গুলো। বিদগ্ধ জোনাকীর রাত শেষে শুরু হয় নতুন প্রেমের সকাল। হারিয়ে গেছে, সেই লেখা গুলো। তোমাকে ডেকে নিয়ে গেছে আজ, অন্য কোনো অভিমান,অরণ্যের মাদকতা। ফেলে আসা পথের, ঝরে পড়া শব্দফল, জমিয়ে রেখেছি যত্ন করে, কলমের খাঁজে। সব কাজ বন্ধ করে, হৃদয়ের কোন কাজহীন দিবসের ক্লান্তি দিয়ে, ফেসবুকের স্ট্যাটাসে লিখে চলেছি, আমার অস্থিরতা গুলো। অনেক দেখতে ইচ্ছে করে'। পৃথিবীর রাজ্যের সব রাজকণ্যা, একদিন ডানা মেলে ভর করে, আমার মেধার ভেতরে। তোমাকে নিয়ে জমে ওঠা দুঃখ গুলো, কখনো বুঝতে ইচ্ছে করেনা। শুধু জলের তৃষ্ণা রেখে যাই, অস্বচ্ছ জলের কাছে। আমার সব ইচ্ছেগুলো ঘুমিয়ে পড়ে। আমার জানালায় দেখা শৈশবে, শ্যাওলায় মোড়ানো শানবাঁধা পুকুর ঘাট, ক্রমশ আমাকে দূরে নিয়ে যাচ্ছে। শোনাতে আসিনি আমি, শুধু শুনতে চেয়েছিলাম, বিশুদ্ধ ছলাকলার বোকা কাহিনী গুলো। মিথ্যে অনুভূতি নিয়ে, আশাহীন ভাবে বেঁচে আছি। ভেতরের ভালোলাগা গুলো, দমকা হাওয়ায়, হারিয়ে গেছে। পথ ভুলে, বিভ্রমে, কেটে গেছে, আমার সকল পরাজিত সময়। প্রতি রাত্রের অস্থিরতা গুলো বেদনার ফলের মতো, ঝরে গেছে, জ্যৈষ্ঠের ভেজা বাতাসে।"----"ধূসর সীমান্ত"
Read more »