"অপরিচিত অচেনা এক মুখের জন্যে আজীবন প্রতিক্ষা আমার। অজানায় যার বাস। তার কাছে থেকে অনিয়মিত, ভেঁসে আসে সন্ধ্যাবাতাস, কখনও সমর্থন, কখনও আনুগত্য, কখনও বা মৃদু অভিভাবকত্ব, কখনও রৌদ্রজ্জল দিগন্তবিস্তৃত ঔপনিবেশিকতা। কিছু কথারা গান হয়ে, ভেঁসে আসে। সুরশলাকার মৃদু কাঁপনে, বেজে ওঠে বাতাসের সূরকল্লোল। মিহি তরঙ্গ তুলে ভেঁসে যায়, দূরের কোনও শহরে। নদীর কিনারে, মোড়ানো বাঁকে এসে রূপকথার মতো থেমে যাই, তোমার অধীনে, অধিগ্রহণে আর শাসনের নীচে। জানি, একদিন আমাকেও ধীরে ধীরে টেনে নেবে। তোমার অভীবাদনের ছায়া দিয়ে পুরোপুরি ঢেঁকে দেবে, হাওয়া লাগা এই শরীরটা আমার। অচেনা শিহরণ তুলে সন্ধ্যার বার্তা পাঠিয়েছো, অদেখা, অজানা এই আমাকে, জড়িয়ে ফেলছো অচেনা স্মারকে। আমার কেউ নেই পৃথিবীতে, তাই অমান্য করি, প্রকাশ্যে ভেদরেখা, তাই তোমাকেই করে ফেলেছি আত্মীয়। খুব অনুগত আর দ্রবীভূত থাকুক একটি দিন, আমার এই রচনায়। তোমার আমার সরল সূত্রে, সহজ বাক্য গুলি চাপা পড়ে আছে নিস্তারহীন তথ্যজটের নিচে। কালের সন্ত্রাসের প্রভাবে, উবে যাবো একদিন ধীরে সন্ধ্যানদীতীরে, রঙিন মেঘেদের হিমাচলে। প্রতিদিন ভোরের পাখি হয়ে, বার্তা ছড়িয়ে চলেছি আমাদের যোগাযোগে"----"ধূসর সীমান্ত"
