"আমার বেহিসাবী ভালবাসা, আলোতে হারিয়ে যাওয়া শহর, মেঘলা আকাশের, মেঘ হয়ে ফিরে আসছে। জীবন পাতায় রাখা একফোঁটা বৃষ্টির জল, উপমা হয়ে হেঁটে চলেছে। মাটিতে কুড়িয়ে পেয়েছি ভালোবাসার দানা, মনের গুল্মলতাগুলো, মলীন হয়ে গেছে। আত্মভোলা মেঘ, বার্তা নিয়ে আসে, মেঘের উপরে আঁকা নক্সার, তোমার স্পর্শে মিলিয়ে যাওয়ার। মাটির সাথে মেঘেদের মিতালী হয়ে গেলে, শুকনো পাতারা স্বশব্দে ঝরে যায়। নির্জন বাংলোতে শুইয়ে শুনেছি রাত্রির জলোকল্লোল। বাতাসের পাহারায় স্বনিয়ন্ত্রিত শব্দ-সন্ত্রাস, পাতা ঝরা বৃক্ষের সঙ্গী হয়ে গেছে। শালবনে, নামহীন কবি হয়ে, হলুদ পত্রে লিখে চলেছি, বাতাস পাখির, অনাগত রুপকথা। নিঝুম সন্ধ্যার পাখিকে দু্ত করে, স্নিগ্ধ ভোরকে পাঠিয়েছি নীল খামের চিঠি। অন্ধকারের প্রবেশ পথে, মনের স্পন্দন গুলো ফিরে আসে। এখানেই স্থায়ী নিবাস তোমার, স্মৃতিরা অস্থায়ী যেখানে। সভ্যতার মতো, কামনারা মার্জিত হয়েছে, বিশৃঙ্খল শাখা বিস্তারের অপরাধে। কুহক গুলো শুষে নিয়েছিলো, নিবিড় রাত্রির অবহেলিতো ঘুম আমার। আমার তীব্র রাত্রিকে ছুঁইয়ে, অস্পষ্ট স্মৃতি গুলো, মিশে গেছে বিস্ময়ের বিষণ্ণ অসীমে। অন্ধকারকে শব্দ দিতে চেয়ে, এখন আমি পরিনত হয়েছি, মানুষ রূপী প্রেতাত্মায়। নষ্ট হওয়া কিছু পায়ের ছাপের মতো, আমিও নষ্ট হতে চলেছি"---"ধূসর সীমান্ত"
