"আজ ছাদের কিনারে এলিয়ে দেবো, সমস্ত বিকেল। আমার দিনান্তে, তোমার এলোকেশের ছড়িয়ে দেয়া বিকেল, উপভোগ করে যাবো। শৈশব স্মৃতির ভিঁড়ে হারিয়ে ফেলা কাগুজে মুখোশটা, এখনও খুঁজে চলেছি। কত মুখের ছবি হারিয়ে গেছে, জীবন পাতা থেকে!'' হিসেবও রাখিনি। পাহাড়ের উত্থানে, আকাশ স্পর্শানুভূতীতে, আধবোঁজা চোখে দেখেছি, খাদ বেয়ে গড়িয়ে নামতে থাকা, অশরীরী ঝড়ের মাতম। আমি তার ফোটা, ফোটা জ্বলকণার সঞ্চয় নিয়ে বসে থাকি, মনশালিকের প্রতিক্ষায়। তোমার কাছে রেখে এসেছি, ধূসর রাত্রের প্রার্থনা গুলো। হেলেঞ্চা বনে, তীব্র উষ্ণতায় গলে গেছে, অতৃপ্ত তৃষ্ণা আমার। শূন্যতার গোপন সূতোয়, তোমাকে বেঁধেছিলাম।দীর্ঘঃশ্বাসের কালীতে লিখে রেখেছি, বিবর্ণ রাত্রের অস্থিরতাদের। হিজল বনের ডাহুকের ডাকে, শীতলক্ষ্যার স্রোতগন্ধে, ভেঁসে গ্যাছে, জন্মান্তরের মাতাল ছায়া। জ্বলতরঙ্গের দীর্ঘশ্বাসে বয়ে চলায়, মুগ্ধতার স্নান শেষে, রেখে যাবো, আমার নৈসর্গিক নৈশব্দ"----"ধূসর সীমান্ত"
