"আমার রাত্রির বিছানায়, মেঘবালিকা' ছড়িয়ে দিয়েছে, তার অবিন্যস্ত চুলের উদাসীনতা। ধ্রূপদী সময়ের কাছে বেঁধে রেখেছি, অস্থিরতা গুলোকে। আমার রাত্রের গল্পেরা কখনও জেগে ওঠেনা। সকালের পাখিটা, ডেকে ডেকে ফিরে গেছে। পরিযায়ী পাখীরা দিন শেষে, পড়ে থাকা বিচ্ছিন্নতা গুলো, কুড়িয়ে নিয়ে গেছে। ইদানিং রাতঘুমে, সংযোজিত হতে চাওয়া কিছু বর্ণ হারিয়ে যায়। বহু বর্ণ ছুটে গ্যাছে, জৈবনিক বর্ণমালা থেকে। র্ব্যাথতার হিসেব কষতে কষতে, উদ্বেগহীন ফ্যাকাশে রাস্তায় নেমে পড়ি। অচেনা বর্ণমালাদের ভিঁড় তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায়। চোখ-ধাঁধানো বিলাসী বর্ণেরা,মুচকি হেঁসে উঠোন পাড়ি দেয়। বাড়ন্ত দুপুরে ঘেরা গল্প গুলো, ফিকে হয়ে আসে। আমার প্রাচীণ বসতভিটায়, কিছু ফুল, হলুদাভ আভা ছড়িয়ে রেখেছে। সেখানে প্রজাপতিরা, ওড়াউড়ি শেষে, ভেঙে পড়ে, ক্লান্তিতে। এখনও জীবন আমার, শুকনো নদীর জলে, দাঁড় টেনে চলেছে। আর আমি'' প্রেমের কবিতা লিখতে গিয়ে প্রেমহীন, অচেনা বর্ণমালাদের ভীঁড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছি।"----"ধূসর সীমান্ত"
